প্যাঁচা
এই বোরিং সিনেমাটা আর কতোক্ষন চলবে প্যাঁচা?! আমি চাই কোনো উন্মাদ বিদ্রোহ করে বসুক। নিজের বিদ্রোহ করে বসার কোনো প্রবণতা আমার নেই যার কারনটা এরকম, যে বিদ্রোহে রক্তের দাম শোধ হওয়ার কোনো আশ্বাস বিশ্বাস নাই সেখানে এতো বড় অপচয় কেমনে করি? দুনিয়ায় আত্মজয় করা কর্মের আমলনামায় মজলুমের ভাগ খুব ভারী, সেই ভার বহন অযোগ্য হয় যখন তাদের কেউ আর কখনো আলোর দেখা না পায়। একদল কে লেম্ঠন জ্বালিয়ে বলা হয় তোমরা মুক্ত, তোমরা উড়তে জানো সুতরাং যাও ভোগ করো, আর তারা উড়তে যেয়ে পা ফঁসকে পড়ে দালান থেকে খরা জমিনে। এই আধমরার গাড়ে পা রেখেই অন্য দলটিকে বদ্ধ আলোর মধ্যে মুক্তির হাইব্রিড লোভ দেখিয়ে গাধার মতোন চাষ করানো হয়। যার ফলন ভোগ করে জালিম।
মুক্ত, মুক্তি কখনো আসবেনা এলইডি লাইটের আলোয়, এতো একমাত্র ধূসর আসমানের কারিশমা। তাহলে তোমার মাথার উপর বারবার চড়ে বসা বাল্বটি কার মুখোশ? এই মুখোশধারী নরকেশরী কারও ত্রাতা না, সে কেবল অন্ধকারের মুক্ত ও মুক্তি ব্যবসায়ী। সে জানে, সম্পূর্ণ অন্ধকারে মানুষ ভয় পায়, আবার সম্পূর্ণ আলোয় প্রশ্ন করতে শেখে। তাই সে দেয় হাইব্রীড আলো, যেখানে চোখ পুড়ে যায়, কিন্তু পথ দেখা যায় না, পথ ভুললে জিজ্ঞেস করার কাউকে পায়না, মানুষ শিখে এটাই প্রভাত আর এই শিকলই তুমি-আমি দুই মজলুমের অলংকার। কবে হবে উপলব্ধির বজ্রপাত?
