back
old pages, around 2024-2025
যন ত্র না আর দ হ ন।
আত্মা নিজের উৎসরে খুঁজে বেড়ায় জীবন পুঞ্জিকায়। ক্ষুধার্ত আত্মা ফিরতে চায় নিজের ঠিকানায়, যার জন্য মানুষ পাগল বেশে নিজের হৃদয় দিয়ে খুঁজতে থাকে জানা অজানায়। মানুষের উপর বর্তানো দায়িত্ব হলো আত্মারে সযত্নে লালন করা। আত্মা আকাঙ্খা করে জাহিলি কিংবা সুপ্ত সুপথ। আত্মারে দুই পথ দিলে আত্মার মাথা ঘুরে, ভেতরে তিক্ততার উৎপত্তি ঘটে কিংবা অবুঝ রসায়ন। আত্মা নিয়া সজ্ঞানে মানুষগন ভন্ডামী করেন।
মানুষের আত্মা সর্বক্ষণিক ক্ষুধার্ত। কিসের ক্ষুধা?? খাবার দাম্ভিকতা, সম্পদ, মোহ-মায়া, কামনা কোনোকিছুরই নয়। প্রত্যেকটি মানুষের আত্মার মধ্যে একমাত্র পরিচিত ক্ষুধা তার সময়ের। এলাহী। এই সময়টা কোনো ঘড়ির কাটার কিংবা সকাল-দুপুর-সন্ধ্যার হিসেবে নয়। আপনি যতোই জীবনের গোল/এইমস/বাকেটলিস্ট ব্লা ব্লা চাওয়ার পাওয়ার হিসেব করবেন ততো বেশি অনুভব করবেন যে পাওয়ার মজা পেয়েও আপনার আত্মা ক্ষুধার্ত। বছরের মেহনত শেষে যখন ফলাফল হাতে আসে সেই মিষ্টি ফলটি ভোগ করবেন কিন্তু আত্মা এই ক্ষণিকের মিষ্টি ভুলে যায় ক্ষুধার জ্বালায়। বছরের পর বছর গাফেল থাকার পর কোনো না কোনো একদিন প্রচন্ড অশান্ত মন যখন কোনো সাহায্য পায়না তখন বাধ্য গোলাম হাটু গেঁড়ে বসে মালিকের সম্মুখে ক্ষুধার্ত মুক্তির আশায়। কিন্ত পরীক্ষার হলে প্রশ্ন কঠিন ভেবে উঠে চলে আসার সাধ্যি ব্যর্থদেরই একমাত্র হয়। কাপুরুষরাই যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে পালায় পরাজিত হয়ে। তবে কি আত্মসমর্পণ জরুরী নয়? সুসাইড কিংবা ডিপ্রেসড জনগন জীবন সীমনার বাঙ্কারে নিজের বানানো আত্মঘাতীর স্বীকার। মানুষ হিসেবে এতুটুকু জানা উচিত যে আত্মা নিজের উৎসরে খুঁজে বেড়ায় জীবন পুঞ্জিকায়। ক্ষুধার্ত আত্মা ফিরতে চায় নিজের ঠিকানায়, যার জন্য মানুষ পাগল বেশে নিজের হৃদয় দিয়ে খুঁজতে থাকে জানা অজানায়। মানুষের উপর বর্তানো দায়িত্ব হলো আত্মারে সযত্নে লালন করা। আত্মা আকাঙ্খা করে জাহিলি কিংবা সুপ্ত সুপথ। আত্মারে দুই পথ দিলে আত্মার মাথা ঘুরে, ভেতরে তিক্ততার উৎপত্তি ঘটে কিংবা অবুঝ রসায়ন। আত্মা নিয়া সজ্ঞানে মানুষগন ভন্ডামী করেন। আত্মা অসুখী বাই ডিফল্ট। আত্মারে যা দিবেন আত্মা ফাইল স্রেডারের মতোন টুকরা টুকরা কইরা খুঁতে দেখে। আত্মার বিষ নিজের সৃষ্টি আর নিজেরে দংশন করে, এর মতোন পয়জন দুনিয়াতে মানুষের জন্য আর একটাও নাই। সবশেষে আত্মা ফিরবে তার মালিকের পথে। আপনার আমার আমরা যে খেলায় ব্যস্ত আত্মার পথ তার রাজ্যের থেকে হাজার কোটি বছর দূর।
নাফস, নাফসি, নাফসান।
যদি জন্মের অর্থ খুজে না পাও আবার জন্মাও। সেই উর্বর জমির বুকে যার তলে বাপ দাদার বসত, সেই আসমানে উড়ে যার উপর রহমত।
খোলা আসমানে নাই স্তব্ধতা। মরুর বুকেও মরীচিকার লুকোচুরি। খোলা ঘাসে গজায় বনের কাটা লতা আর আচড়ে দেয় তোমার পায়। ঘুমে অচেতন হয়ে শান্তিজলে ভাসো, হঠাৎ দরজায় পড়ে থাবা। যেখানে তুমি লুকাতে চাও সেখানেই পড়ো ধরা। পলায়নের চৌরাস্তা তোমার মন ভুলায় কিন্তু ধরা পড়ে না। এভাবেই আজন্ম সেই কাল অন্ধকার মহাকাশে তুমি ভাসতে চাও
বিচ্ছিন্ন যান্ত্রিক প্রয়োজনে
মেঘবন আজ উদাস রাতে শিকার করে তোমার প্রদীপ
অদ্ভুত সব খামখেয়ালে কেনো তুমি উড়ো আমায় নিয়ে।
উৎসব বৃষ্টির নগরীতে ছুটে মেঘ এলো-মেলো …
নীলাকাশে শোভা পায় তোমার সুন্দর হাসি, চাঁদ দেয় তোমার মুখে উঁকি, সেকি ভালোবাসা বলোনা, অজানা অলিখা তোমার নামে সব পত্রলিকা। কে যেনো...
...... হারাই শব্দের ভিড়ে, উদগ্রস্ত আমি।
তোমার খামোশি, তোমার খোশবু আর তুমি।
বুঁদ বরবাদ।
মহাব্বতওয়ালার দরদ এক খোদাই বুঝে।
যখন পথ ফুরিয়ে যায় তোমার মানচিত্রে আমি একা হয়ে যাই, তখন চোখ বুজে আসে আর সব মলিন হয়ে যায়।
প্রত্যেক মানব একটা ট্রাজেডির পর বড় হয়ে যায়, হুট করেই আত্মায় ভর করে বসে এক দস্তুর বড়মানুষ। বড় মানেই যন্ত্রণা আর বাস্তবতার তীব্রতায় পোড়া। সেদিনের আগ অব্দি থাকা ফাঁকাগুলোর গভীরে বিস্তৃত অরণ্যের পথ চিহ্নিত করে, এই যুদ্ধের সৈনিকেরা কখনো বহুদিনে প্রস্তুত হয় কিংবা কদিনের পাথর সমান ট্রেনিংয়ে। এমন এক সময় আসে, যখন তারা বুঝতে শেখে হাসি, কান্না, নিঃশ্বাসের মাঝে লুকিয়ে আছে এই স্যাটিরের প্রকৃত রূপ তখন কলিজায় জমে এক অদ্ভুত বিশ্বাস, তারা শিখে যন্ত্রণার পর গভীর প্রশান্তি অপেক্ষা করে। প্রতিটি ক্ষতছোপ একেকটি গল্প বলে যা হৃদয়ের নিবিড় ক্যানভাসে অবারিত সময়ের সাক্ষী হয়ে থাকে। এই তীব্র আর্তনাদ জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ের প্রবেশপত্র মাত্র, যা পেরিয়ে গেলে দুঃখের গাঢ় ছায়া হেলে পড়ে এক নতুন আকাশের নিচে।
তোমার ইচ্ছাই আমার আত্মা।
যা প্রকাশের ভাষা নাই, তা নিজের মধ্যে পোষে রাখা সমীচীন।
এতো কাছে, দুরত্ব শুধুই মৃত্যু।
মাঝে মধ্যে ভুলে যাই সব পিছনে ফেলতে হবে
নিরবতা উত্তম উপভোগ্য বিষয়।
সব বিষাদমাখা, কেমন জানি অজানা-অচেনা, সব সঙ্গ সব রঙ্গ আজ মলিন। বিরহ একাকিত্বের দাম শুধরাই কালোর আলিঙ্গনে। এ কি খোদা!!??
কার কাতারে আমার তরী থামে?
কোন দোষে আমি ভুগছি বামে?
কিসের লাভে জ্যান্ত হৃদপিণ্ড?
হিমানী রাত্রে উদাও নিদ
Copyright © 2026 Mahidul Haque. This post is licensed under a CC BY-NC-ND 4.0 license. You may read, learn, and share links to this post for non‑commercial, educational purposes, as long as you give appropriate attribution. You may not copy, reproduce, adapt, distribute, or use this work commercially without explicit permission.