back
Copyright © 2026 Mahidul Haque. This post is licensed under a
CC BY-NC-ND 4.0
license. You may read, learn, and share links to this post for non‑commercial, educational purposes, as long as you give appropriate attribution. You may not copy, reproduce, adapt, distribute, or use this work commercially without explicit permission.
old pages, around 2021-2023
পেয়েছো কি আদৌ?
যা তুমি চেয়েছো আমায় ছাড়া
যে স্বপ্নে আমি নেই, নেই আমার অস্তিত্ব
যে গল্প জুড়ে আমি নেই, নেই আমার ছোঁয়া
সেখানে উড়ুক কাকেরা ডানায় নিয়ে স্বপ্নের বর্ষন।
সয়ে যাচ্ছি, ভীষণ প্রবলে
সেকি দীর্ঘ চিনচিন
লন্ডভন্ড এ জান কোটা,
তোমার কীটনাশকে আর কতোদিন?
মেরেই ফেলো বেঁচে যাই আধটু।
কহি কহি কহিয়া যা কহি না
কহিয়া যা ভুলিয়া
বনেতে মনেতে মাতে মাতোয়ারা
দিলেকি করোনা ক্ষমা?
ভুলোনা সব মিছেমিছি অভিমান
আসোনা ধরি কহি ভালোবাসি প্রিয়তমা।
শূন্যের ভাগে যা জোটেনা
সাত রঙে যে রংধনু ছোটেনা
এতো সুমিত্রা তোরা যেই জন
ণক্তে আসিলি আমারে ফুড়াইতে
তবুও বলি আর কতোদিন?
চাওয়া পাওয়ার হিসাবের খাতা তুলে রাখলাম। যেদিন দেখা হবে মিটিয়ে নেবো এক মলিন হাসিতে। চুলোয় যাক আপন কবিতা।
নিভৃতে থেকেছিলেন কখনো? সাদা কাগজে কলম গুতানো? মাটিতে পা টুকানো? চোখ থামিয়ে পলকহীন চেয়ে থাকা?যতোই টুকুটুকি করুন আর গুঁতোগুতি করুন জীবনের সংজ্ঞাটা শেষ মুহুর্তে চোখের সামনে জ্বল জ্বল করবে। আজ নয় কাল নয়তো পরশু কিংবা কালের পর। তবে একদিন....
চাইলেও ছুঁতে পারছিনা, চাইলেও পারছিনা বলতে, চাইলেও হচ্ছেনা দেখা। কাছে থেকেও তুমি মহা আলোকবর্ষ দূরে। কি বিস্তার এই আক্ষেপ! আজ পৃথিবীর কাঠগড়ায় আমি দিচ্ছি তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ। দৃঢ় গলা শীতল দৃষ্টি আর তোমার দিকে শাহাদাৎ আঙুল, এরাই আমার সাক্ষী এই দিনে।
তোমার হাসির জন্যে ফুলকে আমি উৎসর্গ দেই আর বনে যাই পাষান দৈত্য।
তুমি আমার হলদে বাসন্তী
তুমি আমার রঙধনু রাঙা নীল আসমান
তুমি আমার জীবনের শরৎ
তুমি আমারই অস্তিত্ব
তুমি যখন থাকবেনা
চলবেনা এই গাধার ঘড়ির কাটা
ফুটবেনা তোমার প্রাচীরে কোনও ফুল
মনে রেখো যেথা থাকো
তুমি আমারই চন্দ্রাবতী।
অভিশপ্ত
মিষ্টি ঘ্রাণে বিভোর যখন ছুরি চালাও এফোড় ওফোড়। এক কোপেতে কাটেনা দুই কোপে মন ভরেনা, তাইতো তুমি পেলে পোষে ঘায়েল করো। তন্দ্রা ছুটে তোমার পাশে, আজ চলে এলাম সর্বনাশে।
লোফ দিয়ে চা। সাজ সকাল।
দূর্বলের জুলুম একদিন ঘুচবে। তোমার হাতের চাবুক ঘুরে পড়বে তোমারই পিঠে। বনেছো কালো পিচাশ হাত করেছো রক্তাক্ত। শোধ কি নিবেনা খোদা? মনে রেখো তুমি যারে বিতাড়িত করো ও তোমার দিকেই আসবে খোদা সাথে টর্নেডো বেগে।
মরণ আসলে চোখ অন্ধকার হয়।
যদি শেষ হয়ে যায় খাটিয়া হাতে তোমরা আমার আর ওর লাশ একসাথে নিও। বৃষ্টিতে ভিজে সেদিন দুজনে নেমে যাবো পৃথিবীর বুকের ভেতর।
সিলিংয়ের তারাটা হাত দিয়ে ছোঁয়ার ইচ্ছা।
মানুষ মূলত একা, বুঝেও কেনো বুঝ না?
তোমার নাটক দেখি চারদিক জুড়ে।
কই থেইকা কই হারায় যাই বুইজ্জা উঠতে পারিনা!
যে বার-বার তাড়ায় তারে নিজের আঙিনা ভাবি।
এক কদম পিছে, তুমি এদিক আমি ওদিক
যাই বলো সব-ই স্রিপ্টের অংশ।
যা হাতছাড়া হবে তা ফিরাতে অনেক কঠিন শ্রম লাগবে। সুতরাং শক্ত করে ধরা লাগবে। ছাড়লে তো সব উদাও...
যে মাটির উপর দাড়ায় আছি জানতাম না এই মাটিই আমারে শক্তি দিতেছে। অথচ এতোদিন মাটিকে জাস্ট মাটি মনে করেই আসছি।
পরক্ষণে তুমি মুখ ফিরিয়ে ভুলে যাও এই বাস্তব
দোড় খোলো একবার, উপচে পড়বে ভালোবাসবে রজনীগন্ধা তোমারে।
যার মর্যাদা রাখতে পারবা তারে বহন করো। যেটা পারবানা ছাইড়া দাও।
না পড়লে উঠবা কেমনে?
তোমার সম্পদ পুরোটাই লোকসান
i completely believe in superpower যেটা খোদা আমাদের দিছেন এই আপনার আমার মধ্যে। নিজের অন্তরের উপর ফোকাস করেন, ভাবেন, জানেন, আর খুঁজেন পাবেন ইনশাআল্লাহ।
কি ভেবে হও আশাহত
কি দেখে করো নিরবতা
কি তোমার উদ্দেশ্য
কি তোমার ফলাফল?
ভালোবাসায় সময় লাগে, ধৈর্য ধরো।
বিশ্বাস রাখলেন তারপর ধীরে নিকটবর্তী অতঃপর নিশানা।
বিষুদবার
ওহে সুফিয়ান,
ছুড়ো দেশলাই
জ্বালো উদ্দমে প্রাণ
ভুলোনা তোমার গতিপথ,
ঝাড়ো হুঙ্কার
বলপেনে তুলো গুড়ুমু ঝঙ্কার
লিখো তামাটে পোড়া মাটির কপালে
বেয়ে পড়ুক ভন্ডের শোষণ
নিশিতে আজ মাতেন জনাব হায়না
এতে ক্ষুব্ধ বনবিবি
কহেন-
'নাম নিলেনা মন দিলেনা
হলেনাগো আমার পুরু-ষীনি!'
তুমি যা ভাবো
তা তোমার মনে নয়
তা তোমার তরে নয়
নয় তোমার আত্মিক ফায়দায়
ভুল বোঝোনা ভুন শুনোনা
ডেকে এনোনা কালো লেবাসের হুশিয়ারি
জেনোনা এতাবৎ তোমার শেষের তারিখ।
ক্যামেরার লেন্সে ঝিলিক উঠে
ভীষণ মায়াবী তোমার হাঁসি ঠোঁটে
কি ভেবে আলতো করে চুল সরাও
সুখমাখা চোখে আমায় ভুলাও!
তোমার জীবন কারো স্বপ্নের, কারো জীবন তোমার স্বপ্ন, স্বপ্নের এই বাঁধা দুনিয়ায় নিজের উপর জুলুম না করি।
কবিই ইইই তুমি ভাসায়াছো আমারে
ওহে কবিইই তুমি ভুল বোঝায়াছো আমারে
ও সাধক তুমি ভুল দিশা দেখাইয়াছো আমারে
জনমেরো ভুল তুমি করাইছো আমারে
একি করিলা সব যে নিলা ছিনিয়া
বাঁচিবো আমি কার তরেএ গো বলো
কবিই।
ভিষণ অট্টহাসি। কিছুক্ষণ নিশ্চুপ।
আড়ালে আড়ালে অনেক ভাবো
না বলা কথা জমিয়ে রেখে স্বপ্নো দেখো
তোমার খাম খেয়ালি সুরে ধরা পড়ে আমাদের গান
কুমড়ো ফুলে রজনীগন্ধা
সংস্কৃতি বলতে আমাদের এই বাংলাদেশ যা বুঝি এভারেজে নাচ গান শাড়ি পাঞ্জাবি আর মঙ্গল শুভযাত্রা। কালচার নিয়ে এমন উদাসীন কোনো জাতিরে দেখি নাই। প্রত্যেক জাতি গর্বের সহিত নিজেদের কালচারটারে ধইরা রাখসে অথচ আমাদের নিজেদের ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় জন্ম নেয়া সন্তানদের নিজের ভাষাটা পর্যন্ত শিখাইতে শরম অনুভব করা লাগে। ইসলাম বাংলাদেশে রাষ্ট্র্রীয় ধর্ম হওয়া সত্তেও মেজোরিটি মুসলিম ৫ ওয়াক্তের নামাজ পড়েনা। প্রতিবেশির খবর রাখাতো দূরের কথা নিজের ঘরের মাইয়ার সেইফটি পর্যন্ত নাই, সেই দেশে এমন উদাসীনতা দেখা খুবই নরমাল। বর্তমানে হাইস্কুল থেইকা ভার্সিটি পর্যন্ত যে পরিমণ নষ্টামি চলে তা নিয়া বলতে গেলে মহাশ্মশান হয়ে যাবে।
রাতের অন্ধকার চিরে বের হয় চাঁদ
ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি ভাবি তোমারে।
এই সেই চিঠি যা পৌছায়নি তোমার কাছে
যা তুমি পড়োনি কখনো
লিখছি ভায়োলিন সুরে,
তোমার আমার এই জটিল সমীকরণে
প্রয়োজন স্থিরতার
যে স্থিরতা শেষে দু'জনের মুখে ফুটে
সদ্য জন্ম শিশুর হাঁসি
আর কাঁদি দু'জনে একি ভুলে
ফুলেরা গেছে নিভে
সন্ধ্যার বৃক্ষে পাতারা কাঁদে
নিঝুম চাঁদনী রাতে
মেঘ গেছে চলে
চিন্তাশক্তিই মানুষের একমাত্র দুর্বলতা যেকিনা ফেরেশতা কিংবা শয়তান দুই-ই বনে যেতে পারে আর ফলস্বরূপ তুমি আমি প্রতিবার পরাজিত হতে থাকি।
পুরনো সব স্মৃতি নিয়ে তুমি নিশ্বাস ফেলো
তোমার অর্ধনগ্ন আত্মা যা ক্ষত বিক্ষত
করে রেখেছো এতোকাল
আজ তা তোমারই কাল হয়ে দাঁড়িয়ে
নির্বাক শীতল চাহনি জল্লাদের চোখে
মাছের মতোন তুমিও সাঁতরাতে থাকো ডাঙায়
কুল না পেয়ে ক্লান্ত তোমার মন
বদ্ধ গ্রহে উঠে তোমার শেষ দীর্ঘশ্বাস
নাটকীয় ইতির পর তালি উঠে ভন্ড খোদাবৃন্দের
এখানেই শেষ নয়
সবে শুরু।
তীব্র তৃষ্ণায় ধুঁকছে প্রাণ
সাজ সকালে আমাদিগের হয়রান
খোদা টান মাইরা নিজের কাছে নিয়া যায়।
সীমাবদ্ধতা আদর্শরে ধার দেয়, সেই ধারালো জ্ঞান পথরে করে সুগম।
রক্ষক থেকে আজরাইল
কখনো নিশি কখনো কড়া রোদ
রোজ স্বপ্নে আসতে
হাজার বছর পর তুমি সামনে এলে
সব যেনো তছনছ করে দিলে
হঠাৎ চুপিচুপি মিলিয়ে গেলে
রয়ে গেলো মাথার উপর তোমার ছায়া।
মরে গেছি তোমার কাব্যে, বেঁচে রই নির্ঘুম অমাবস্যায়।
পুরান লোকের কধা কানে নিলানা নতুনরে তুমি কি বুঝবা গাধা?
তোমার অবক্ষয়ের নিয়তির কারণ তোমার উপস্থিতি। যে করুণ কথা কোনোদিন ভাবোনি আজ জমিনের ভিতর থেকে তা দেখো। আসমান মেঘলা তোমার ব্যাথায় কেনো তুমি কাঁদো না? খড় কাগজে ঘুঘুর পালক, লিখছি তোমার গল্প।
অনুতপ্ত হই যখন মনে পড়ে বাম পাশের সমীকরণ, লজ্জিত হই ডান পাশে দাড়িয়ে। গোল বৃত্তের কয়েদি তুমি, নাগর দোলা।
সহ্যসীমা গেছে পেরিয়ে
কচকচে শুকনো পাতা মাড়িয়ে
এতোদূর নিয়ে যাচ্ছো কই?
পৌষ মাসে আর ঠান্ডা নাই
এখন বারো মাসই গরমের বাম্পার ফলন
রইদ উঠে মেঘ পালায়
সবই এখন শর্টকাট,
মানুষের মনে ধৈর্য নাই
অমুক তমুকের মাখা খায়
অন্য খায় মগজ।
তোমার দিলে হাওয়া নাই
আর আমার কোনো তুমি নাই।
লোভের চোটে লোকের জিহ্বা দশ হাত
গরিব মধ্যবিত্ত জপে পালাই পালাই।
ঘোলাটে অবস্থায় ভাবতেছি
শীতে সব বুড়া পাতা গায়েব
জোয়ান আসার বাকি বহু দিন
গুনিতেছে বটবৃক্ষ দিনপঞ্জিকা
অন্ধকার আসবে হলুদ বাতির রাতে
পড়ি পড়ি করা সূর্য ডুববে বলে
তবু চেয়ে রয় করুণ চোখে
কি যেনো চায়
কি যেনো পাওনা তোমার
জ্বল জ্বলে নদীর পানি
বুক ভরা সমুদ্র প্রান্তে উঠে ঢেউ
করুণ চোখের রঙ মাখা কিশোরী হাসে
শান্ত স্বরে কবির মুখে আসে শীতলক্ষ্যা
আজ ঘুচবে বোদহয় পাওনাদারের হিসাব
করুণ চোখে শেষমেশ ঢুবে যায় সব পাওনা
শান্ত হয়ে যায় বুকের ঢেউ
কিশোরীর মুখে নামে অমাবস্যা আলো,
ফিরে যায় স্বাধীন পাখির ঝাঁক নিড়ে।
কবি দেখান আসমানের এপারের চিত্র,
ভাবান ওপারের ভবিষ্যৎ
সবশেষে শ্রোতার মুখে উঠে ভাবাক্রান্ত দর্শণ
তোফা তোফা
বেশ, তুমি কবির এই আরাম।
জমো আটালো জটের সংসারে
কুম্ভকর্ণে তুফান তোমার দংশনে।
ভুলিয়োনা পথ তোমার ব্যাকুলতার কান্নায়, যতো হাটিবে মিলিবে দিশা।
আর কতো বিভক্ত করবা নিজেরে নিজের থেকে? কি অদ্ভুত এই জীবন সংসার। কি সুন্দর রঙবেরঙ মুহুর্ত সংগ্রাম তোমার আমার এই বাঁচা।
বেঁচে থাকার তীব্র চেষ্টা আমার জীবিকা।
প্রথম কিংবা শেষ, সে যাইহোক।
দ্যাশ নিয়া ভাবিনা, মগজের অপব্যবহার করলে জেল জরিমানা হোবই
একবার মিথ্যা স্পর্শ করে পুরো সত্য বিষাক্ততায় রূপ নেয়। একবারের বেইমান চিরদিনের ভাষ্কর্য।
তুমি যতোই পালাও ব্যাধি তোমায় ছাড়বে না। ব্যাধি তোমায় তাড়ালে, তুমি সত্য সঠিকের সন্নিকট হও, ব্যাধি ত্যানা বগলদাবায় করে পালাবে।
পার ওপার তুমি আমি
তোমার বুকে শুয়ে আছে
ঝড়ে পড়া পাতা
কেনো শুনেছোনা আমার ডাক?
আমি হাতড়ে বেড়াই সেই মাটির স্তুপে
তোমার পাশে একটুখানি জায়গায়
তুমি শুয়ে এতো সুখে
আমি তোমার পাশে বসে
হাত গালে অভিমানে ভাবছি
কেনো এই বিষাদ যন্ত্রণা
কিসের এতো তিক্ততা?
সত্যিকার অর্থে সেইসব জীর্ণ কবিতার লাইনগুলো আর মনে পড়েনা। শরীরে আর চড়েনা সেইসব মিষ্টি কথার মোহ। রাত হয় দিন গড়ায় কেউ বুঝলোনা ভালোবাসা কারে কয় সখি?তোমরা নিজেরা গণ-কবর খুড়ে জানাযায় দাড়িয়ে আছো আর বলছো তোমরা সুখী।